আমেরিকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডব্লিউএসইউকে ৫০ মিলিয়ন ডলার উপহার দিলেন জেমস  অ্যান্ডারসন এবং তাঁর স্ত্রী হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিলের বর্তমান  ও সাবেক ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে ৭০ বছরে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড গড়লো ডেট্রয়েট এবং ফ্লিন্ট সাউথগেটে বাড়িতে বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ১ বাংলাদেশসহ যেসব দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প  মিশিগানে দ্বিতীয় হামে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত সিলেটে সাবেক এমপি ও মেয়রের বাসায় হামলা, ভাঙচুর প্রথমবার বৈঠকে বসছেন ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মো‌দী ওয়েইন কাউন্টি ট্রেজারার অফিস ভবনে বোমা হামলার হুমকি দুই দফা ভারী বৃষ্টিপাতের পর মেট্রো ডেট্রয়েটে বন্যার আশঙ্কা আজ ফার্মিংটন হিলসে বাড়িতে আগুন লেগে ৪ পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১২ জন আহত নর্থ মিশিগানে ভয়াবহ তুষার ঝড় : ১০টি কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা  ইস্ট ডেট্রয়েটে অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে সম্ভাব্য বিস্ফোরণে ১৩ জন আহত পথের ভুলে গুয়াতেমালার এক নারী নির্বাসনের মুখোমুখি ঐতিহাসিক তুষার ঝড়ে বিপর্যস্ত মিশিগানের উত্তরাঞ্চল, বিদ্যুৎহীন ৯০ হাজার মানুষ মিশিগানে এবার একইদিনে ঐক্যবদ্ধ  ঈদুল ফিতর উদযাপনে বাড়তি আনন্দ  যুক্তরাষ্ট্রে আজ ঈদ সৌদি আরবে ঈদ রোববার চীন সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে কোটি কোটি ডলার কোভিড তহবিল প্রত্যাহার করবে ট্রাম্প প্রশাসন

হাসিনা ইস্যুতে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিলেন ড. ইউনূস

  • আপলোড সময় : ১৯-১১-২০২৪ ১২:৪৩:০৩ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৯-১১-২০২৪ ১২:৪৩:০৩ পূর্বাহ্ন
হাসিনা ইস্যুতে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিলেন ড. ইউনূস
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারতকে হুঁশিয়ারি দিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, বিচারের মুখোমুখি করতে হাসিনাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে ভারতকে। এছাড়া হাসিনাকে ফিরিয়ে না দিলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে খুব একটা সুখের সম্পর্ক তৈরি হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস এসব কথা বলেন। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সংবাদমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। 
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ঢাকায় নিজের বাসভবনে দ্য হিন্দুর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ড. ইউনূস ভারতের সাথে সম্পর্ক এবং সংস্কারের পরিকল্পনার বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি তার সরকার গঠনের ১০০ দিনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলেন এবং উগ্রপন্থার উত্থান ও হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোকে “প্রোপাগান্ডা” বলে অভিহিত করেছেন।
দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর ভারতে শেখ হাসিনার উপস্থিতি উভয় দেশের সম্পর্কের জন্য অসুবিধা সৃষ্টি করছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, হাসিনার ভারতে বসবাস করা, অন্তত আপাতত কোনো সমস্যা নয়। তবে তিনি বাংলাদেশের বিষয়ে কথা বললে সমস্যা। তিনি বাংলাদেশিদের সাথে কথা বলছেন এবং এটি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। তিনি তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন, এটাই সমস্যা।
হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, সেটা কীভাবে?
জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) মানুষকে (ঘর থেকে) বেরিয়ে আসতে বলছেন এবং ঢাকা ও অন্যান্য শহরের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে বলছেন। তার অডিও ছড়িয়ে পড়ছে। সেখানে তিনি তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি (ঢাল হিসেবে) সঙ্গে রাখতে বলছেন, যেন পুলিশ বাধা দিলে তারা বলতে পারেন, বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এটি অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ।’ হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্নে বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনার সরকার ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে। ভারতকে সরাসরি এ অনুরোধ করা হলো না কেন? এ ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থা তো রয়েছে।
জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘তাকে (শেখ হাসিনা) ফিরিয়ে আনতে আমরা সব আইনি পথ অবলম্বন করব।
হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, প্রকৃতপক্ষে এখনো আপনার সরকার (শেখ হাসিনার) প্রত্যার্পণের অনুরোধ জানায়নি। (ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে) একটি প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে।
জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আমি মনে করি, কিছু আইনি ধাপ রয়েছে। আমরা সেগুলোর দিকে যাচ্ছি। কিন্তু আমরা এখনো ওই পর্যায়ে পৌঁছাইনি।’
হিন্দুর সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচার করা হচ্ছে—এমন যুক্তি দেখিয়ে ভারত যদি (বাংলাদেশের) অনুরোধ না রাখে তাহলে কী হবে?
জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আপনি কি বলছেন, ভারত চুক্তি লঙ্ঘন করবে? হ্যাঁ, (চুক্তিতে) এমন কিছু ধারা রয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার যদি তাকে (শেখ হাসিনা) সেখানে রাখতে এগুলো প্রয়োগ করে, তাহলে সেটা আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলবে না। আমাদের অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ খুব কম। তাই এই সময়ে হয়ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সবকিছু মীমাংসা করা যাবে না। তবে আমাদের পরে যে সরকারই আসুক না কেন, তারা এটা ক্ষমা করবে না।’যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়া এবং তিনি বাংলাদেশের সমালোচনা করে অত্যন্ত কড়া বিবৃতি দিয়েছেন উল্লেখ করে নতুন মার্কিন প্রশাসনের সাথে আন্তর্জাতিক সমর্থন অব্যাহত থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, আমার মনে হয় না ট্রাম্প বাংলাদেশ নিয়ে কোনো বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সম্পর্কে এবং সংখ্যালঘুদের বিষয়ে তিনি (ট্রাম্প) সম্ভবত ভালোভাবে অবহিত নন। এটা একটা প্রোপাগান্ডা যা সারা বিশ্বে চলছে। কিন্তু যখন তিনি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্কের বাস্তবতায় আসবেন, তখন ট্রাম্প অবাক হবেন যে— তাকে যে ধারণা দেওয়া হয়েছে তার থেকে বাংলাদেশ কতটা আলাদা। আমি মনে করি না, যুক্তরাষ্ট্রে একজন নতুন প্রেসিডেন্ট এসেছেন মানে সবকিছু বদলে যাবে। প্রেসিডেন্টের পরিবর্তনের কারণে পররাষ্ট্রনীতি এবং দেশ অনুযায়ী সম্পর্ক সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। এছাড়াও ট্রাম্প ২.০-তে যদি কোনো পরিবর্তন হয়, তাহলে আমাদের মনে রাখবেন এখনকার বাংলাদেশ ২.০ আছে, যাকে আমরা নতুন বাংলাদেশ বলি। সুতরাং আমরা অপেক্ষা করব এবং যদি মার্কিন প্রতিনিধিরা এসে আমাদের দেখে-পরীক্ষা করে এবং যদি দেখে আমাদের অর্থনীতি ভালো চলছে, তারা খুব আগ্রহী হবে। তারা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সরকারি ক্রেতা, তাই আমাদের দিক থেকে এটি খুব ভালো সম্পর্ক যা আমরা বছরের পর বছর ধরে গড়ে তুলেছি। আমাদের আশা এটা আরও জোরদার হবে।
সূত্র : ঢাকা পোস্ট

নিউজটি আপডেট করেছেন : Suprobhat Michigan

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
 শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা

 শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধান উপদেষ্টা